Skip to main content

মানুষ এক কনফিউজড জীব;


 

মানুষ এক কনফিউজড জীব; ‼️


মানুষ—সবচেয়ে বেশি সময় নিজের সাথেই কাটায়, তবুও নিজেকে বুঝতে প্রতিবারই ব্যর্থ হয়। আমরা যেন নিজের কষ্টগুলোকে আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকা শিখে ফেলেছি। অথচ চাইলে সব কিছুই একটু সহজে, একটু সুন্দরভাবে সমাধান করা যেত। 🍀


আমাদের শেখানো হয়নি কীভাবে আবেগকে গ্রহণ করে সমাধানের দিকে এগোতে হয়; বরং শেখানো হয়েছে কীভাবে সমস্যা এড়িয়ে যেতে হয়, কীভাবে দুঃখ নিয়ে কবিতা লিখে নিজেকে প্রবঞ্চিত করতে হয়। কিন্তু একটুখানি ভাবনার পরিবর্তন, একটুখানি মানসিকতা বদলেই দুঃখকে আনন্দে রূপ দেওয়া সম্ভব—এই সহজ বিষয়টা আমাদের বাবা-মা, অভিভাবকরা শেখাননি।


পৃথিবী টিকে আছে তাদের জন্য যারা ‘সমাধানমুখী’। যারা শুধু সমস্যা নিয়ে পড়ে থাকে, তারা নিজের পরিবারের কাছেও সন্মানিত হতে পারে না।


মূল কথা:

Be a solution-oriented person.

মানুষ ভুল করবে, কিন্তু খুব কমই আছে যারা সেই ভুল স্বীকার করে। তারা নিজের ভুলকে পাশ কাটিয়ে, অন্যের দোষ খোঁজে যেতে যেতে একসময় ক্লান্ত হয়ে পড়ে। তখন ঘাসের উপরে শুয়ে থেকে বলে,


“মানুষ একা... কেউ কারো না... একা থাকাই ভালো... ভালোবাসা শিখতে হলে কুকুরের কাছে শেখা উচিত...” ইত্যাদি।🙂


আমরা মূলত চাই আরও বেশি, সবসময় নিজের চাহিদাকে পকেটের সীমার বাইরে নিতে চাই। এটাই হলো পুঁজিবাদী সমাজের বাস্তবতা এবং তাদের চোখে সেটাই সফলতা। 🫤


শেষ কথা:

“কবিতা লেখার চেয়ে, কবিতা হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।”

মানুষের জন্য কাজ করুন, সামনের মানুষটিকে প্রাধান্য দিন। অহংকার কমান, আবেগকে তুচ্ছ করবেন না—সম্মান করুন। সমস্যার ভেতর বসে না থেকে সমাধানের দিকে এগিয়ে যান। মাঝে মাঝে ইমোশনকে উপলব্ধি করাও একধরনের শক্তি। সেটা নিয়ে ঠাট্টা না করে, তার সৌন্দর্য খুঁজুন। 🍀💙


© ইমদাদ _ হৃদয়

Comments

Popular posts from this blog

নীলাঞ্জনা, ছিলো আমার প্রথম প্রেমিকা,

  নীলাঞ্জনা, ছিলো আমার প্রথম প্রেমিকা, যাকে আমি আজো পাই নি।। ডাইরির পাতায় বন্ধ এখনো সেই নারী, যার কথা বললে, হিংসায় মারা যাবে পৃথিবীর সকল প্রজাপতি।।  কবিতা, কাব্য, গদ্য, সাহিত্য শেষ হবে তার বর্ননায়, শুধু থেকে যাবে আমার হৃদয়; কারন সেখানেই তার বাসবাস।। ধূসর পান্ডুলিপির মতো - কতো দেহ এলো,- গেল,- হাত ছুঁয়ে-ছুঁয়ে দিয়াছি ফিরায়ে সব; অপেক্ষা একটা নীল রঙের যেখানে থাকবেনা কোনো দাগ।। অদেখা, অবাস্তব, কাল্পনিক অস্তিত্বের সবই মিশে থাকে বাতাসে কেউ আসে প্রতিমা হয়ে,  কেউ আসে ঢেউ হয়ে, কেউ ডুবিয়ে দেয়, কেউ আঘাতের জোরে ভেঙে দেয় মন; আমি বসে থাকি সমুদ্র পারে -নাবিকের বেশে, আর দেখি জীবনের ভ্রম।

গলার হাড় ভেঙে যায়— MD IMDADUL HAQUE

  🍃 গলার হাড় ভেঙে যায়— তোমাদের পরিত্যক্ত বর্জ্য টানতে, তবু পৃথিবী এখনো— কি নিদারুণভাবে বহন করে তোমাদের ভার! আহা, কি আশ্চর্য! লজ্জা? সে তো তোমাদের অভিধানে নেই, মগজ ডুবে থাকে— নারীর শরীর কিংবা কর্পোরেট বিলাসে। ঠান্ডা হিমশীতল বাতাস— আহা! কাশ্মীর। পহেলগাঁওয়ের মতো তোমার স্বর্গেও যখন হামলা হবে, তখন কি তুমি যুদ্ধ করবে? তোমার হকের জন্য? অন্যের যুদ্ধে অংশ নেওয়া— তোমার কাছে কি অপরাধ? আহা, নীরব এক দৃষ্টান্ত! টাকার পদতলে পিষ্ট সমাজ— আকাশের নীল কাঁচ তারা দেখবে কিভাবে? যেখানে প্রতিফলিত হয় তাদেরই কৃতকর্ম! তারা কি সেই প্রতিচ্ছবি দেখার ক্ষমতা রাখে? আহা সুষ্ঠু সমাজ! কি নিদারুণ তোমাদের ভাষা— ভাষাবিজ্ঞানী, সাহিত্যিক, কণ্ঠের মাধুর্যতা! আর আমরা? হৃদয়ে গাঁথি পেরেক— তোমাদের ভালো রাখতে। একদিন এসো আমার শহরে— দাওয়াত রইল। 🍀🗿 ~ ৮ই মে, ২৫  ~ ইমদাদ 🖋️

মধ্যরাতে পরিচয় হয় নিজের সাথেই

  মধ্যরাতে— 🍀 পরিচয় হয় নিজের সাথেই। কে আমি? কেমন আছি? কেনই বা আমি? আসলে, আছে কি আমারই কোনো অস্তিত্ব? মহাকাশের তারা যেন ধুমকেতু হয়ে ঝরে পড়ে মস্তিষ্কে, আর আমি খুঁজি— হারিয়ে যাওয়া এক স্বত্তাকে। পৃথিবীর মায়ারেখা ধরে হেঁটে চলেছি শতাব্দীজুড়ে, যেখানে নাবিকও হারিয়েছে দিশা— ভুল দরজায় কড়া নাড়ি আমি, যাযাবর হয়ে বেছে নিয়েছি মরুভূমির একাকী পথ। ক্ষুধা গিলে জন্ম নেয় কাঁটাযুক্ত ক্যাকটাস। আবার, চোখ বুজলেই পরিচয় হয় তোমার সাথে— কে তুমি? কেমন আছো? কেনই বা তুমি? আছোও কি আদৌ? তুমি যেন মরুভূমিতে আটকে থাকা ধূসর মরীচিকা, আর আমি— যেনো, পথভ্রষ্ট পথিকের এক ঢোক জল। মূলত, আমি-তুমি— তুমি-আমি, নিজের প্রতিপক্ষ নিজেই। নিজেই প্রশ্নচিহ্ন, নিজেই আবার বিস্ময়ের চিহ্ন! নিজেই হাজার প্রশ্ন, নিজেই গোপন উত্তর। মধ্যরাতে জেগে ওঠে কিছু না-পাওয়া চাওয়ারা— তোমার অনুভূতি, তোমার ছোঁয়া, এক নীরব আলিঙ্গন। তোমাকে ছুঁতে যাই এমনভাবে, যেন ছুঁতে না পারলেই— ব্যর্থ হবে আমার কবিতা। 🍀 ~ ইমদাদ  ১৪/জুন২৫